কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ এ ১১:১০ AM

শিল্প মন্ত্রণালয়ের ইতিহাস, মিশন, ভিশন ও কার্যাবলি

কন্টেন্ট: পাতা

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শিল্প মন্ত্রণালয় একটি ঐতিহ্যবাহী মন্ত্রণালয়। টেকসই ও সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বাংলাদেশকে দ্রুত এগিয়ে নিতে ১৯৭২ সালে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পৃথক হয়। দেশে শিল্পায়নের ধারা জোরদারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ৪টি কর্পোরেশন, ৬টি সংস্থা, ২টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশনসহ মোট ১৪টি দপ্তর/সংস্থা রয়েছে।

ভিশন

উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ বিনির্মাণে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন।

মিশন

রপ্তানিযোগ্য ও আমদানি বিকল্প শিল্পের প্রসার, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চতকল্পে সার, চিনি, লবণ উৎপাদন ওসরবরাহ, দক্ষ জনবল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ বিনির্মাণে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন।

প্রধান কার্যাবলি

১. জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে যুগোপযোগী শিল্পনীতি প্রণয়ন ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন নিশ্চিতকরণ;

২. আন্তর্জাতিক পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তির মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষা;

৩. শিল্পোদ্যোক্তা এবং শিল্প ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লজিস্টিকস খাত উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি;

৪. পণ্যের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্কস নিবন্ধন কার্যক্রমকে শক্তিশালীকরণ এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষা;

৫. কুটির, ক্ষুদ্র, ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সার, চিনি ও লবণ উৎপাদন;

৬. পণ্য ও সেবার আন্তর্জাতিক মানের সাথে সংগতিপূর্ণ দেশীয় মান নির্ধারণ ও সামঞ্জস্যকরণ এবং অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান;

৭. নিরাপদ পরিবেশ বান্ধব জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প ব্যবস্থাপনায় নীতিগত সহায়তা প্রদান; এবং

৮. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা লাভজনক করার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উল্লেখযোগ্য কার্যাবলী

  • যুগোপযোগী শিল্পনীতি, আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন এবং পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন নিশ্চিতকরণ;
  • আন্তর্জাতিক সহযোগিতার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশ/সংস্থার সাথে চুক্তি/সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষা;
  • শিল্পোদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং শিল্প ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শ্রম দক্ষতার উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি;
  • পণ্যের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্কস নিবন্ধন কার্যক্রমকে শক্তিশালীকরণ এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষা;
  • ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সার, চিনি ও লবণ উৎপাদন;
  • পণ্য ও সেবার আন্তর্জাতিক মানের সাথে সংগতিপূর্ণ দেশীয় মান নির্ধারণ ও সামঞ্জস্যকরণ;
  • রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাকে দুর্নীতিমুক্ত ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরকরণের উপায় উদ্ভাবন;
  • জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প ব্যবস্থাপনায় নীতিগত সহায়তা প্রদান;
  • আয়োডিনযুক্ত লবণ ও ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ভোজ্য তেলের ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
  • রাষ্ট্রীয় শিল্প কারখানা লাভজনক করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যক্রম গ্রহণ।


এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন